সরকারি চিকিৎসকদের ভাবমূর্তি রক্ষা ও ওষুধ কোম্পানির প্রভাব ঠেকাতে নতুন নির্দেশনা জারি
Super Admin9/6/2026

দেশের সব সরকারি হাসপাতাল ও চিকিৎসা ইনস্টিটিউটে সরকারি চিকিৎসকদের পেশাগত ভাবমূর্তি রক্ষা এবং ওষুধ কোম্পানির প্রভাব ঠেকিয়ে জনসাধারণকে সঠিক ও নিরপেক্ষ চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করতে আট দফা নির্দেশনা জারি করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।
সরকারি চিকিৎসকদের জন্য নির্দেশনাসমূহ তুলে ধরা হলো—
নির্দেশনার মূল দিকগুলো
প্যাডের ব্যবহার নিষিদ্ধ: বেসরকারি ডায়াগনস্টিক সেন্টার, ক্লিনিক বা ওষুধ কোম্পানির নামাঙ্কিত প্যাডে কোনো অবস্থাতেই প্রেসক্রিপশন বা পরীক্ষার পরামর্শ দেওয়া যাবে না।
বাইরের ওষুধ ও পরীক্ষা নয়: সরকারি হাসপাতালে যে ওষুধ ও পরীক্ষা বিনামূল্যে পাওয়া যায়, তা বাইরে থেকে কিনতে বা করাতে রোগীকে বলা যাবে না।
সিলের কড়াকড়ি: সরকার অনুমোদিত সিল ছাড়া অন্য কোনো বেসরকারি সিল ব্যবহার করা যাবে না।
তালিকায় নিষেধাজ্ঞা: চিকিৎসকদের টেবিলে ওষুধ কোম্পানির কোনো ওষুধের তালিকা বা প্রচারসামগ্রী রাখা যাবে না।
ছবি তোলা নিষেধ: ওষুধ কোম্পানির প্রতিনিধিরা (মেডিকেল প্রতিনিধি) কোনো প্রেসক্রিপশন বা রোগীর তথ্যের ছবি তুলতে বা সংগ্রহ করতে পারবেন না।
সাক্ষাৎ সীমিত: সপ্তাহের মাত্র দুই দিন—সোমবার ও বৃহস্পতিবার দুপুর ১২টা থেকে আড়াইটা পর্যন্ত প্রতিনিধিরা চিকিৎসকদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে পারবেন।
নির্দিষ্ট সময়ের বাইরে নিষেধাজ্ঞা: নির্ধারিত সময় ছাড়া অন্য কোনো সময়ে কোম্পানির প্রতিনিধিরা হাসপাতাল চত্বরে থাকতে পারবেন না; নিয়ম ভাঙলে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
পরিচয়পত্র বাধ্যতামূলক: হাসপাতালে আসার সময় প্রতিনিধিদের অবশ্যই কোম্পানির পরিচয়পত্র দৃশ্যমান স্থানে ঝুলিয়ে রাখতে হবে।